সুমাইয়া fp77-এ আসেন তার এক সহকর্মীর উৎসাহে। কিন্তু শুরুতে তিনি বেশ দ্বিধায় ছিলেন – টাকা ডিপোজিট করলে কি ফেরত পাবেন? পেমেন্ট সিস্টেম কি নিরাপদ? এই প্রশ্নগুলো মাথায় নিয়েই তিনি মাত্র ৳৩০০ দিয়ে শুরু করেন।
প্রথম সপ্তাহ – পর্যবেক্ষণের পর্যায়
প্রথম সাত দিন সুমাইয়া মূলত প্ল্যাটফর্মটি বোঝার চেষ্টা করেন। ছোট বেট দিয়ে দেখেন ইন্টারফেস কেমন, ডিপোজিট কীভাবে হয়, জিতলে ব্যালেন্স কখন আপডেট হয়। ক্রিকেটে তার আগ্রহ থাকায় তিনি বাংলাদেশের একটি ঘরোয়া টুর্নামেন্টে বেট করেন এবং প্রথম বেটেই জেতেন। এই সাফল্যটি তার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়।
"প্রথমবার জিতে যখন ব্যালেন্সে টাকা দেখলাম, তখন নিজের চোখকেই বিশ্বাস হচ্ছিল না। মনে হলো, এটা কি সত্যিই কাজ করে? বিকাশে তুললাম, ৬ মিনিটে টাকা চলে এলো।"
— সুমাইয়া আক্তার, কুমিল্লা
দ্বিতীয় ও তৃতীয় সপ্তাহ – শেখার পর্যায়
দ্বিতীয় সপ্তাহে সুমাইয়া fp77-এর লাইভ বেটিং ফিচার ব্যবহার করে দেখেন। তিনি বুঝতে পারেন লাইভ বেটিংয়ে অডস অনেক দ্রুত বদলায়, তাই একটু ধীরে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মানসিকতা থাকলে সমস্যা হয়। একটি ম্যাচে তিনি সময়মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি এবং বেটটি মিস হয়ে যায়। এই অভিজ্ঞতা থেকে শিখলেন যে লাইভ বেটিংয়ে আগেই একটি সিদ্ধান্তের কাঠামো তৈরি করে রাখতে হয়।
তৃতীয় সপ্তাহে তিনি fp77-এর ওয়েলকাম বোনাস ব্যবহার করে বেটিং বাজেট বাড়ান। বোনাসের ওয়াগারিং শর্ত পূরণ করতে গিয়ে তিনি নিয়মিত ছোট বেট করেন এবং স্বাভাবিকভাবেই শর্ত পূরণ হয়ে যায়।
চতুর্থ সপ্তাহ – নিজস্ব ছন্দ খুঁজে পাওয়া
মাসের শেষ সপ্তাহে সুমাইয়া একটি রুটিন তৈরি করেন। প্রতি সপ্তাহে নির্দিষ্ট একটি বাজেট ঠিক করেন এবং সেটার বাইরে যান না। fp77-এর মোবাইল সাইট ব্যবহার করে অফিসের ব্রেকে বা রাতে বাসায় ফিরে ম্যাচ দেখতে দেখতে বেট করেন। তার কথায়, বেটিং এখন তার জন্য একটা আনন্দের বিষয়, চাপের নয়।